ম্যাচ অডস সম্পর্কে বিস্তারিত
অনলাইনে বেটিং করতে গেলে সবচেয়ে আগে যে জিনিসটা বোঝা দরকার সেটা হলো অডস। অডস না বুঝলে কোথায় বাজি ধরছেন, কতটুকু লাভ হতে পারে – কিছুই আন্দাজ করা যায় না। Mamo Baji-তে এই বিষয়টাকে সহজ করা হয়েছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে।
ডেসিমাল অডস কীভাবে কাজ করে
আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডেসিমাল অডস ব্যবহার করা হয়, কারণ এটা বোঝা সবচেয়ে সহজ। ধরুন বাংলাদেশের অডস ১.৮৫। আপনি ৳১,০০০ বাজি ধরলে বাংলাদেশ জিতলে পাবেন ৳১,৮৫০। মানে মূল ৳১,০০০ ফেরত + ৳৮৫০ লাভ।
অডস যত কম, সেই দলকে তত বেশি ফেভারিট মানা হচ্ছে। আর অডস যত বেশি, সেই দলকে আন্ডারডগ ধরা হচ্ছে। যেমন বাংলাদেশ বনাম ভারতের ম্যাচে যদি বাংলাদেশের অডস ১.৮৫ আর ভারতের ২.১০ হয়, তাহলে বুকিরা মনে করছে দুই দলের সম্ভাবনা প্রায় সমান, তবে বাংলাদেশ সামান্য এগিয়ে।
লাইভ অডস কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে অডস একরকম থাকে, ম্যাচ চলার সময় পাল্টাতে থাকে। এই লাইভ অডসই সবচেয়ে মজার। যেমন ধরুন প্রথম ওভারেই বাংলাদেশ দুটো উইকেট হারিয়ে ফেলল – সাথে সাথে তাদের জয়ের অডস বেড়ে যাবে। সেই মুহূর্তে বাজি ধরলে বেশি লাভের সুযোগ থাকে।
Mamo Baji-তে লাইভ অডস প্রতি কয়েক সেকেন্ডে আপডেট হয়। ম্যাচের গতিপ্রকৃতি দেখে সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। অভিজ্ঞ বেটররা এই ইন-প্লে বেটিংকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
বিভিন্ন ধরনের বেটিং মার্কেট
শুধু "কে জিতবে" – এটাই একমাত্র বাজার নয়। Mamo Baji-তে একটি ক্রিকেট ম্যাচে ২০-এর বেশি বাজার থাকে। কিছু জনপ্রিয় মার্কেট হলো:
- ম্যাচ বিজয়ী – কোন দল জিতবে
- টস বিজয়ী – কোন দল টস জিতবে
- প্রথম ইনিংসে মোট রান – বেশি নাকি কম
- সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ব্যাটার
- প্রথম উইকেটের সময়
- নির্দিষ্ট ওভারে রানের সংখ্যা
ফুটবলে আরও বেশি – গোলদাতা, সঠিক স্কোর, হ্যান্ডিক্যাপ বেটিং, উভয় দলের গোল করা না করা – এই ধরনের বাজারগুলো বেটিংকে অনেক বেশি মজাদার করে তোলে।
অডস বোঝার সহজ উপায়
নতুন বেটরদের জন্য একটা সহজ নিয়ম হলো – অডস থেকে ইমপ্লায়েড প্রোবাবিলিটি বের করা। যেমন ১.৮৫ অডস মানে প্রায় ৫৪% সম্ভাবনা (১÷১.৮৫ × ১০০)। আর ২.১০ মানে প্রায় ৪৮%। দুটো যোগ করলে ১০২% হয়, মানে বুকির ২% মার্জিন। এটাই বুকি-এর লাভ।
এই মার্জিন যত কম, খেলোয়াড়ের জন্য তত ভালো। Mamo Baji-র পেআউট রেট ৯৮%, যার মানে মার্জিন মাত্র ২% – বাজারের সেরাদের একটি।